ডায়রিয়া রোধের উপায়

ডাইরিয়া সাধারণ একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ মানুষের সবাই ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়। ডায়রিয়া হওয়ার পেছনে অনেক রকম কারণ হয়ে থাকে,

দূষিত জলপান,দূষিত খাবার, দূষিত পরিবেশ, নানারকম ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, মদ্যপান,মানসিক চাপ ও কিছু কিছু ওষুধ খাবারের ফলেও মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়।

ডায়রিয়ার লক্ষণ

ডায়রিয়া আক্রান্ত হওয়া মানুষের মধ্যে সাধারণত কিছু সমস্যা দেখা দেয়, ঘন ঘন বমি, ঘনঘন জলযুক্ত মল ত্যাগ, মলের সাথে রক্তপাত হতে পারে, প্রচন্ড পরিমানে পেটে ব্যথা, জ্বর আসার সম্ভাবনা থাকে।

ডায়রিয়া রোগের থেকে বাঁচার ঘরোয়া উপায়

১. ডায়রিয়া প্রতিরোধের জন্য আদার ও কয়েকটি দ্রব্যের প্রয়োজন হবে। আদা আমাদের শরীরের হজম শক্তি বাড়ানোর জন্য খুবই উপযোগী। প্রথমে এক চামচ করে আদা  গুড়ো, দারচিনির গুঁড়ো,জিরা গুঁড়ো ও মধু নিয়ে সেটি এক সঙ্গে মিশ্রণ করতে হবে। এরপর সে মিশ্রনটিকে দিনে তিনবার করে খেতে থাকুন।দিনে দুবার করে আদা দেওয়ার চা খেলে ডায়রিয়া রোগ প্রতিরোধ হয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে হাই-পেসার হওয়া মানুষদের আদা না খাওয়াই ভালো।

২. ডায়রিয়া প্রতিরোধের জন্য করার জন্য কলা প্রয়োজন। কলার মধ্যে উপস্থিত থাকা পেকটিন ও ক্যালসিয়াম ডায়রিয়া প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

একটি পাকা কলা কেটে টুকরো টুকরো করে পেস্ট করতে হবে এরপর সেই কলার পেস্ট এর মধ্যে  এক চামচ তেতুলের রস ও লবণ নিয়ে মিশ্রন করে দিনে দুইবার করে খেতে হবে। দিনে সকালে ১/২ টা কলা প্রতিদিন খাওয়া উপকারী।

৩. অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ডায়রিয়ার পর্ক্ষে খুব উপকারী একটি খাবার। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল থাকায় তা ডায়রিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে।

এক দুই চামুস অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এক গ্লাস জলে মিশিয়ে দিনে ২ বার করে খাওয়া উপকারী।

ডায়রিয়ায় সচেতনতা

দৈনন্দিন এর ব্যবহারকারী থালা বাসন চামচ গ্লাস ইত্যাদি ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে ব্যবহার করুন। ডায়রিয়া হলে পরিষ্কার বা নিরাপদ পানি পান করুন। ছয় মাসের বয়স পর্যন্ত শিশুর ডায়রিয়া হলে শুধু বুকের দুধ খাওয়ান। বাসি, পচা, দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, মাছি, তেলাপোকা বসা খাবার একদমই খাবেন না। ফলের রস শরবত থেকে দূরে থাকুন।

এইসব মাধ্যম করে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ডায়রিয়া রোগ প্রতিরোধ করতে পারবেন।

Bangladesh Sangbad/Vj Koushik